নমস্কার,

সম্মানিত সুধী,  

পরমানন্দের সাথে আপনাদের জানাচ্ছি যে, ঈশ্বর কৃপায় ময়মনসিংহের তারাকান্দায় স'নাতনী ডেভলপমেন্ট ফাউন্ডেশন 'এর তত্ত্বাবধানে প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুভসূচনা করা সম্ভব হয়েছে। সেখানে প্রাক প্রাথমিক হতে চতুর্থ শ্রেনির বেশকিছু স্থানীয় শিক্ষার্থী নিয়ে স্থায়ী এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম সচল এবং উন্নয়ন সাধনে আমরা দৃঢ সংকল্পবদ্ধ।  

ইতিমধ্যেই আমাদের আবাসিক শিক্ষার্থীর আগ্রহ দেখা গেছে। তবে এরজন্য প্রয়োজন নিরাপদ ও সুন্দর শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ। আপনাদের  সহযোগিতা অব্যহত থাকলে যেমন সারা দেশ থেকে যেকোনো শিক্ষার্থী ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে উন্মুখ হয়ে থাকে তেমনি ময়মনসিংহের এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে সুশিক্ষা অর্জনে উন্মুখ হয়ে উঠবে।

আরো আনন্দের সংবাদ হলো: উত্তরবঙ্গের রংপুর জেলার পীরগন্জ উপজেলার মিঠিপুর ইউনিয়নের পানবাজার নামক গ্রামের দানশীল ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি বাবু মিলন চন্দ্র অনুরুপ একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়তে ভূসম্পত্তি দান করতে সম্মত হয়েছেন।  আমরা ইতিমধ্যে স্থান পরিদর্শন করে সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রাথমিক অবকাঠামোর কাজ করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।

উপরোক্ত আনন্দ সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু অসুবিধা,  সুবিধা ও সম্ভাবনা পয়েন্ট আকারে উপস্থাপন করছি:

(১) চারপাশে অবিশ্বাসের পরিবেশ ও অভিজ্ঞতা আমাদের অগ্রগতিতে যে বাধা সৃষ্টি করেছিলো তা কিছুটা দূরীভূত হয়েছে বলা যায়। কারণ,  কার্যক্রম দৃশ্যমানতায় আসছে। এতে দানশীল ব্যক্তিদের ছোটো,মাঝারি ও বড় দান সাধ ও সাধ্য অনুযায়ী আসার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

(২) দুটি প্রতিষ্ঠান চলমান ও অগ্রসরমান হলে সবার পরিচিতি, আগ্রহ,  মনোবল ও চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। এতে আমাদের কার্যক্রমের নীতিগত,  সামাজিক ও জাতীয় গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে। তখন আর শিক্ষার্থী ভর্তি, অর্থ সহায়তা,  কারিগরি ও নৈতিক সহায়তা করতে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবেনা।

(৩) ইতিমধ্যে বেশকিছু উৎসাহী ব্যক্তি ও ধর্মীয় সামাজিক সংগঠন আমাদের প্রকল্প পরিদর্শনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন,  করছেন। তাঁরা সরেজমিনে পরিদর্শন করে যাধাসাধ্য সহযোগিতা করতে চান। তবে এ ক্ষেত্রে আপাততঃ দূর্বলতা হলো: আমরা দূর থেকে দশ-বিশ বা বড়ো কোনো পর্যটকের আতিথেয়তা, আপ্যায়ন ও নিরাপদ অবস্থান সংক্রান্ত অবকাঠামো করতে পারিনি। কারণ,  যাঁরা যাবেন তাঁদের অন্ততপক্ষে বসা ও দুপুরের প্রসাদ গ্রহণ,  ঝড়বৃষ্টি রোদে আশ্রয় ইত্যাদি বিষয়ে পূর্ব প্রস্তুতির ঘাটতি রয়েছে। সুতরাং কোনো পর্যটন আহবান করা যাচ্ছেনা বলে দুঃখিত।  

(৩) আমরা যে যতোটুকু সহযোগিতা করছি তা অব্যহত রেখে নিজ নিজ পরিমণ্ডলে প্রচার করে সহযোগিতার দুয়ার প্রশস্ত করছি। ফলে ধাপে ধাপে উন্নতি হচ্ছে যা উপরোক্ত আলোচনার সমস্যা গুলো কেটে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

#আসুন, সবাই মিলে নিজেদের সমাজকে এগিয়ে নিই। ধন্যবাদ।

বিনীত  

স্বপন কুমার

সিনিয়র শিক্ষক  

বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ  

ও  

শুভাকাঙ্ক্ষী  

সনাতনী সমাজ ব্যবস্থা

সনাতনী ডেভলপমেন্ট ফাউন্ডেশন।