নমস্কার,

সম্মানিত সুধী,

আপনারা ইতিমধ্যে জেনেছেন যে, "সনাতনী ডেভলপমেন্ট ফাউন্ডেশন " সনাতনী সমাজ উন্নয়ন সংগঠন বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে ক্ষয়িষ্ণু হওয়া সনাতনী সমাজকে প্রথমতঃ রক্ষা এবং পরবর্তী সময়ে উন্নয়ন ঘটিয়ে যথাসম্ভব পূর্ব গৌরব ফিরিয়ে আনতে কাজ শুরু করেছে।

দীর্ঘ দুই বছর প্রাণান্ত চেষ্টা করে কিছুটা উন্নতি করলেও কাঙ্খিত উন্নতি সম্ভব হয়নি। এর মুল করণ সমূহ:

(১) জনবল সঙ্কট।

(২) অর্থ সঙ্কট।

(৩) বিশ্বাসের সঙ্কট।

(৪) ট্রেন্ডিং ভীতি।

(৫) গতানুগতিক নির্লিপ্ততা।

(৬) উন্নয়নে অনীহা।

(৭) পলায়নপর নীতি।

(৮) দায়হীন প্রবণতা।

ইত্যাদি ইত্যাদি।

 

আশার বানী হলো:

(১) ক্রমেই বিশ্বাস বাড়ছে।

(২) গ্রাউন্ড বেজড প্রচারণা জোরদার হয়েছে।

(৩) সমাজের প্রবীণ জ্ঞানী ব্যক্তিগণ এগিয়ে আসতে শুরু করেছেন।

(৪) অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা,  কর্মচারী,  কর্মরত, ব্যবসায়ী,  পেশাজীবি সহ সকল স্তরপর মানুষ সংশ্লিষ্ট হতে শুরু করেছেন।

(৫) স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষগণ এগিয়ে আসছেন।

 

সুতরাং একটা অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন ধারাবাহিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে উচ্চতর লক্ষ্যে পৌঁছাবে এ বিশ্বাস ক্রমেই জোরদার হচ্ছে।

 

এমতাবস্থায় আমরা মনে করছি ২০২৫ সালের শেষ পর্যায়ে নির্দিষ্ট কিছু অগ্রগতি  অর্জন করে মূল্যায়ন করতে হবে।

এজন্য বেশকিছু অর্থের প্রয়োজন। এটাকে আমরা ডিসেম্বর টার্গেট হিসাবে গ্রহণ করেছি।

অতএব,  বিনীত অনুরোধ,  সংস্থার নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে স্বেচ্ছায় সাধ্যমতো অনুদান প্রেরণ করুন। আমাদের উপর ভরসা করুন। শতটাকা, হাজার টাকা এমনকি লাখটাকাও হারিয়ে যায়। বিভিন্ন কারণে হাতছাড়া হয়। এমনকি চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই হয়। স্থানীয় কিছু ভীতি জনক পরিস্থিতিতে অনিচ্ছা স্বত্তেও টাকা গচ্চা দিতে হয়। শুধুমাত্র ধর্মীয় অথচ অপ্রয়োজনীয় জায়গায় প্রচুর চাঁদা দিচ্ছি।

এসব বিষয় মনের সাথে বিচার করে এই উন্নয়ন খাতে মন থেকে অনুদান পাঠান।

আমরা যদি অবহেলা করে ১০০/- টাকা পাঠাই এবং লোক সংখ্যা এক লাখ হয় তাহলে এককোটি টাকা তহবিল হয়।

আপনি পঞ্চাশ হাজার অনুদান দিয়ে দাতা সদস্য এবং একলাখ অনুদান দিয়ে আজীবন সদস্য হিসাবে সম্মানিত হতেই পারেন।

 

#আসুন, ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে দেখিয়ে দেই আমরাও পারি।#

বিনীত,

স্বপন কুমার 

শিক্ষক

ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজ বগুড়া 

উপদেষ্টা সনাতনী ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এফডিএফ)

 বগুড়া জেলা শাখা